Skip to main content

মধ্য বিত্ত পরিবারের একটি ছেলের সাথে একই গ্রামের একটি মেয়ের বিয়ে হয়।

 মধ্য বিত্ত পরিবারের একটি ছেলের সাথে একই গ্রামের একটি মেয়ের  বিয়ে হয়। 





বিয়ের পর ছেলেটা মেয়েটিকে বলল,তোমার কি কোন ইচ্ছে আছে। মেয়েটা বলল, আমার ইঞ্জিনিয়ার হওয়ার বড় আশা ছিল। এরপর ছেলেটা মেয়েটাকে  ভার্সিটিতে ভর্তি করায়ে লেখাপড়া করায়।


ছেলেটা অনেক  পরিশ্রম করে।মেয়েটার লেখাপড়ার খরচ আর সংসার খরচ চালায়।অনেকদিন হওয়ার পরও তাদের মধ্যেকোন স্বামী স্ত্রী’র শারীরিক স’ম্পর্ক হয় না!মেয়েটার বন্ধু বান্ধব প্রশ্ন করে ছেলেটা কে?মেয়েটা উত্তর দেয়,সে আমার গ্রামের  চাচাতো  ভাই।ছেলেটা অনেক কষ্ট করে, নিজে ভালো মন্দ কিছুই না খেয়ে, মেয়েটার জন্য টাকা  মেনেজ করে । ছেলে টা  যে বেতন পাই, তা দিয়ে হয় না এই জন্য  ছেলে টা নানা রকমের কাজ করে, গরু ছাগল, কৃষি খামারের   কাজ করে। 


এভাবে মেয়েটার জন্য, নিজের কথা না ভেবে তা তার জন্য টাকা রোজগার করে মেয়েটাকে ইঞ্জিনিয়ার বানানো জন্য! হঠাৎ পরীক্ষা চলে আসলো।


এভাবে মেয়েটার পরীক্ষা শেষ হয়ে গেল!এরপর ছেলেটা একটু কাজ কমায়।পরীক্ষার ফলাফল মেয়েটা পাশ করলো!ভাল জায়গায় চাকরি পেল,অনেক টাকা পয়সা মালিক হলো।বড় বাড়ি, গাড়ি আর অনেক কিছু হলো মেয়েটার l বিভিন্ন জায়গায় থেকে মেয়েটিকে বিয়ের প্রস্তাব দেয়। কেউ জানে না, তার বিয়ে হয়েছে কিনা বা তার স্বামী কে?


মেয়েটা বড় বাড়ি লাইটিং করে, বড় পার্টি দিয়েছে। কিন্তু কেউ জানে না কি জন্য এ পার্টির অয়োজন। সবার একই প্রশ্ন এ কিসের পার্টি। সবাই মিলে মেয়েটিকে প্রশ্ন করলো এ পার্টি কি জন্য বলবেন?মেয়েটি বলল ১২ টার সময় সবার সামনে বলবো কিসের পার্টি। ছেলেটা সেই লু'ঙ্গি গামছা আর একটা জামা গায়ে বাড়ির এক কোনায় দাড়িয়ে আছে। ১২ টা বেজে গেলো, এরপর মেয়েটা ছেলেটার হাত ধরে যেখানে কেক রাখা আছে সেখানে নিয়ে এল। সেখানে নিয়ে এসে সবাইকে বললেনঃ- এই ভদ্র পুরুষ ও মহিলাগন, একে কেউ চিনেন? যার মাথার গাম পায়ে ফেলে, নিজে খেয়ে না খেয়ে আমাকে লেখাপড়া করিয়েছে। তার জীবনের সব সুখ আমার জন্য বিসর্জন দিয়েছে ।


এই  ছেলে  টা আমার স্বামী যার সাথে বিয়ের পর
কোন আমাদের শারীরিক সম্পর্ক হয় নাই !তাকে এই কাপড়ে রেখেছি,যাতে আপনারা তাকে চিনতে পারেন।এই বাড়ি, গাড়ি, টাকা, তার গায়ের এক ফোটা ঘামের দামও না!আমি তার স্ত্রী’, আমা’র যা কিছু আছে তার ১০০ গু'ন দিলেও আমি আমা’র স্বামীকে ছেড়ে কোথাও যাবো না। 


এটাই স্বামী স্ত্রীর ভালবাসা। 

এটাই সত্যিকারের ভালোবাসা 









Comments

Popular posts from this blog

করোনাভাইরাসে প্রভাবে দেশে ফেরা প্রবাসীরা সহজ শর্তে ও কম সুদে লোন পাবেন ১৫ জুলাই থেকে

করোনাভাইরাসে প্রভাবে দেশে ফেরা প্রবাসীরা সহজ শর্তে ও কম সুদে লোন পাবেন ১৫ জুলাই থেকে । ১ মার্চ এর পরে দেশে ফেরা প্রবাসীরা এই লোনের জন্য আবেদন করতে পারবেন। একই সাথে প্রবাসে যারা মারা যাচ্ছেন তাদের পরিবারের সামর্থবান একজন সদস্যও এই লোনের সুযোগ পাবেন। রবিবার ( ১২ জুলাই ) প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক ও ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের মধ্যে এ বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়। প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থ মন্ত্রী ইমরান আহমদ আনুষ্ঠানিকভাবে এই কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। স্বাক্ষরিত এই সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ড প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক-কে ২০০ কোটি টাকা বিনা সুদে ঋণ হিসেবে প্রদান করবে এবং ব্যাংক উক্ত তহবিল থেকে ৪ শতাংশ সরল সুদে গ্রাহকদের বিনিয়োগ ঋণ প্রদান করবে। বৈধভাবে বিদেশে গমনকারী কর্মী বা বিদেশ থেকে বৈধভাবে রেমিটেন্স প্রেরণ করেছেন এমন কর্মী এবং করোনায় মৃত কর্মীদের পরিবার এই ঋণ পাওয়ার জন্য উপযুক্ত বিবেচিত হবেন। এই ঋণ প্রদান ও ব্যবস্থাপনা কার্যক্রম এ বিষয়ে প্রণীত নীতিমালা অনুযায়ী সম্পাদিত হবে। দ্রুত, দক্ষ ও স্বচ্ছ ঋণ ব্যবস্থাপনা কার্...

মালয়েশিয়া বাংলাদেশী প্রবাসী

মালয়েশিয়ায় করোনা ভাইরাস বিস্তার রোধ এবং এতে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি কমাতে দেশটিতে থাকা অবৈধ অভিবাসীদের বিষয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমকে সাক্ষাতকার দিয়েছিলেন বাংলাদেশি যুবক রাহয়ান কবির। আল-জাজিরার ‘লকডআপ ইন মালয়েশিয়া লকডডাউন’ শিরোনামে ২৫ মিনিট ৫০ সেকেন্ডের একটি প্রতিবেদনে করোনায় অবৈধ অভিবাসীদের সাথে কেমন আচরণ করা হচ্ছে তা নিয়ে কথা বলেছিলেন তিনি। প্রতিবেদনটি প্রকাশের পর মালয়েশিয়ায় ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। মালয়েশিয়া সরকার বিষয়টি সরাসরি অস্বীকার করে এবং আল-জাজিরাকে প্রমাণ উপস্থাপনের চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেয় দেশটির স্বাস্থ্যমন্ত্রী। আরও পড়ুন:  প্রবাসীরা ফ্রান্স ফিরতে শুরু করেছেন গত ৩ জুলাই আল-জাজিরার ইংরেজি অফিসিয়াল ইউটিউব চ্যানেলে প্রতিবেদনটি প্রকাশের পর থেকে দেশটির স্থানীয় নাগরিকও কঠোর সমালোচনা করেছে। ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, মালয়েশিয়া সরকার মুভমেন্ট কনট্রোল অর্ডারে (এমসিও) মাধ্যমে দেশটিতে অবৈধ প্রবাসীরা মহামারি করোনাকালীন বৈষম্যমূলক আচরণের শিকার হচ্ছেন। এখন মালয়েশিয়া প্রবাসি ওই যুবক রায়হান কবিরকে খোঁজার জন্য স্থানীয় গণমাধ্যমসহ মালয়েশিয়ার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে রায়হান কবিরের খোঁজ দিতে ...

সংগীতশিল্পী আসিফ আকবরের ক্রিকেট জীবনের অজানা গল্প

Asif ভাই এর ফেসবুক থেকে নেওয়া।    _____________________________________________ আসিফ আকবর মিঠু, যিনি আসিফ আকবর নামেই বেশি পরিচিত। ১৯৮৮ সালে কুমিল্লা স্টেডিয়াম ইয়ং সোসাইটি ক্রিকেট দলের পক্ষে ঐ সময়ে কুমিল্লার সবচেয়ে দ্রুত গতির বোলার পপলু ভাইয়ের বলে স্লিপে দাঁড়িয়ে দুর্দান্ত একটি ক্যাচ নেন। সেদিন আসিফ আকবরকে প্রথম দেখি। ওই বছরই নির্মাণ স্কুল ক্রিকেট টুর্নামেন্টের খেলায় তার সাথে ব্যক্তিগত পরিচয়। কুমিল্লা ক্রিকেটাঙ্গনে যে কজন সম্ভাবনাময় ক্রিকেট অলরাউন্ডার ছিলেন আসিফ আকবর ছিলেন তাদের মধ্যে অন্যতম। আসিফ আকবর স্কুলজীবন থেকেই একজন মেধাবী ক্রিকেটার হিসেবে নিজের যোগ্যতার প্রমাণ রাখেন। খুব কম ক্রিকেটারই পাওয়া যাবে যারা এত অল্প সময়ে তাদের  ক্রিকেট ক্যারিয়ারকে এত সমৃদ্ধ করতে পেরেছিল। আর আসিফ আকবর হলেন তাদেরই একজন।কুমিল্লার ইতিহাসবীদ,গবেষক ও সংগঠক আহসানুল কবীর বলেন, আসিফ আকবর কুমিল্লাকে অন্তরের অন্তঃস্হল থেকে ধারণ করে। সে যেখানে,যে অবস্হাতেই থাকুক কুমিল্লাকে তুলে ধরবেই।এর জন্য তাকে ধন্যবাদ দিতেই হবে। কুমিল্লা ক্রিকেটার্সের অন্যতম সেরা আবিষ্কার, ১৯৯৮ সালে  বাংলাদেশর যুবদলের হ...